sponsor

sponsor

Slider

Videos

Contact Form

Name

Email *

Message *

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Archive

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Author Details

Templatesyard is a blogger resources site is a provider of high quality blogger template with premium looking layout and robust design. The main mission of templatesyard is to provide the best quality blogger templates which are professionally designed and perfectlly seo optimized to deliver best result for your blog.

Categories

Breaking

Popular

Fashion

News

Food

Sports

Food

Technology

Featured

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

মালয়েশিয়াসহ ২০ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশির বেকার ও মানবেতর জীবনযাপন। ৮ লক্ষ ফিরেছেন দেশে।

দেশে ফিরে আসছেন প্রবাসীরা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী 

বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সুত্রে জানা গেছে,
সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মহামারী কোভিড-১৯ এর প্রভাবে অন্তত ২০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশ খুইয়েছেন চাকরি। ইতিমধ্যে আট লক্ষ অভিবাসী কর্মী দেশে ফিরতে হয়েছেন বাধ্য। অনেকেই দেশে ফেরার কোন উপায় না পেয়ে চাকরি হারিয়ে রয়েছেন অবৈধ অবস্থায়।

এই মহাসংকট মুহুর্তে অবৈধ অবস্থায় ভিসা ছাড়া চাকরি না পেয়ে মানবেতর জীবন পার করছেন কয়েক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী। আবার ভিসা থাকা সত্বেও না দুর্ভোগ, আর্থিক ও খাদ্য সংকটেও রয়েছেন বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার প্রবাসী।

সম্প্রতি বিশ্বের শ্রম বাজার গুলোর কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ৫ মাসে কমপক্ষে ৮ লক্ষ প্রবাসী ফিরে এসেছেন বিভিন্ন দেশ থেকে যারা আর সেসব দেশে ফিরে যাওয়ার উপায় নেই।
"প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের" অতিরিক্ত সচিব মোশারফ হোসেন সম্প্রতি এক বৈঠকে আলোচনা করেছেন যে, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে অসহায় অবস্থায় থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে বেশিরভাগই আরবের বিভিন্ন দেশে।

বিশেষ করে কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাহরাইনে অবস্থানকারী অভিবাসী কর্মীরা পাচ্ছেন না প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুবিধা সমুহ।

বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা প্রবাসীরা লকডাউন পরিস্থিতিতে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এদিকে আন্তর্জাতিক বানিজ্যিক বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় দেশে ফিরে আসতে পারছেন না অনেকেই। বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসা প্রবাসীদের কর্মসংস্থান গড়ার লক্ষ্যে গত ২৪ শে মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। প্রবাসী কল্যাণ ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় যা সরাসরি তদারকি করবে।

বিদেশ থেকে ফেরত আসা প্রবাসীদের বিভিন্ন তথ্যমূলক প্রশিক্ষণ ও কাজের সুযোগ দেয়ার পাশাপাশি কিভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাত সেই লক্ষ্য নিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ সালেহিন এর সভাপতিত্বে, কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রভাবে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশী কর্মীদের কল্যান ও পুনরায় সংহতকরণের জন্য উন্নয়ন অংশীদার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সাথে গত ১২ই মে একটি ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় দেশে ফেরত আসা প্রবাসীদের কর্মসংস্থান ও তাদের পুনর্গঠনের মাধ্যমে কিভাবে কাজে লাগানো যায় এবং কিভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায় তা জোর দেয়া হয়েছে।

অভিবাসী কর্মীদের বিলাসবহুল জাহাজে থাকার জায়গা দিয়েছে সরকার


কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হওয়া ১৪০০ জন অভিবাসীকে সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে ক্রুজ সেন্টারের ভাসমান ২টি বিলাসবহুল জাহাজে অস্থায়ীভাবে থাকতে দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার 14 ই মে সিঙ্গাপুর ট্যুরিজম বোর্ডের ডিরেক্টর মিস এনিথিং জানিয়েছেন যে জাহাজগুলোতে সকলের স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে

বিলাসবহুল জাহাজে অবস্থানকারী অভিবাসীদের কে নির্দিষ্ট সময়ে বাইরে বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে যাতে করে তারা অবসর সময় গুলো বিনোদন উপভোগ করার মাধ্যমে শরীর ও মন প্রফুল্ল রাখতে পারে।

জাহাজে অবস্থানকারী এক বাংলাদেশী প্রবাসী বলেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর যখন আমাদেরকে জাহাজে থাকতে দেয়া হয় তখন কিছুটা ভয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল আমাদের মাঝে। কিন্তু যখন এখানে দেখেছি আমাদের সকল যত্নের মাধ্যমে খাবার দাবা, বিনোদন এবং সকল ধরনের সুবিধা দেয়া হচ্ছে এগুলো পেয়ে আমরা সত্যি অভিভূত। আমি একজন সাধারণ শ্রমিককে সরকার এভাবে মূল্যায়ন করবে আগে ভাবতে পারিনি। আমাদের শ্রমিকদের প্রতি এভাবে সম্মান আর ভালবাসা সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

সেখানে বসবাসকারী অন্যান্য অভিবাসী কর্মীরা জানায় যে, এখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বসবাসের সকল পদ্ধতি কার্যকর করা হয়েছে। বিনোদনের জায়গা গুলোতেও ১ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে চেয়ার গুলোর বিন্যাস করা হয়েছে।
জাহাজের প্রতিটি কক্ষে ২ জন করে থাকতে দেয়া হয়েছে। এখানে সকল ধরনের সেবার পাশাপাশি অসুস্থ হয়ে পড়লে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে জাহাজেই।

জাহাজে শ্রমিকদের সহায়তা করার জন্য প্রায় ২০০ জন কর্মচারী রয়েছে। তাদেরকে নিরাপত্তা বিধি সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় তারা ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জামাদি (PPE) ব্যবহার করছে। তাদেরকেও প্রতিদিন শরীরের তাপমাত্রা চেক করা হয় এবং জাহাজের ক্রুদের প্রচলিত সামাজিক দূরত্ব ব্যবস্থা তাদের মেনে চলতে হয়৷

সিঙ্গাপুরের ডাক্তার ও নার্সরা দিনরাত মেহনত করে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সেবা করে যাচ্ছেন। তাদের সেবা ও আন্তরিকতায় অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ গতকাল ১৫ই মে পর্যন্ত ৭,২৪৮ জন সুস্থ হয়েছে এবং ১৮,৪৯৮ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে যারা শারীরিকভাবে সুস্থ, তবে পরীক্ষায় তাদের শরীরে এখনো কোভিড-১৯ পজিটিভ রয়েছে৷

মঙ্গলবার জাতীয় উন্নয়নমন্ত্রী লরেন্স ওয়াং বলেছিলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এমন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিককে মে মাসের শেষের দিকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে৷ তিনি আরো বলেন, আগামী মাসে আরো শ্রমিক ছাড়পত্র পাবেন এবং তারা পুনরায় কাজ শুরু করতে প্রস্তুত।

আবারও মালয়েশিয়ায় স্থানীয় ও অভিবাসী কর্মী আক্রান্তের পর কাঁটাতারের বেড়া, ২৯০০ বাসিন্দা অবরুদ্ধ।

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের পেতালিং জায়া এলাকার জালান ওথমান রোডের আশেপাশের বর্ধিত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ বা EMCO এর মাধ্যমে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে৷ মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুশ্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে এলাকাটিতে ২৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে যাদের মধ্যে স্থানীয় ও অভিবাসী রয়েছেন।

এই ঘটনায় পুরাও এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে বিবেচনা করে রেড জোন চিহ্নিত করে EMCO বা বর্ধিত গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ আদেশ প্রদান করা হয়েছে। এই এলাকাটিতে প্রায় ২৯০০ বাসিন্দা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার  চলাচল ও কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত এই EMCO বহাল থাকবে এই সময়ের মধ্যেই সমস্ত বাসিন্দাদের কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হবে৷


 উল্লেখ্য যে,  এর আগে ই'এম'সি'ও  সাতটি স্থানে কার্যকর হয়েছিল, যা ক্লুয়াংয়ের সিম্পাং রেঙ্গামের কাম্পুং দাতু ইব্রাহিম মজিদ এবং দাতু ইব্রাহিম মজিদ নিউ টাউন;  সুংগাই লুই ভিলেজ, হুলু লাঙ্গাত, মিনারা সিটি ওয়ান, সেলেঙ্গর মেনশন এবং মালায়ান ম্যানশন, উত্তর সিটি সেন্টার এবং কুয়ালালামপুর পাইকারি বাজার অঞ্চল ও গোম্বাকের সেলায়াং বারু এলাকা।

ইসমাইল সাবরি বলেছিলেন যে অষ্টম EMCO টি বাস্তবায়নে সরকারের এই সিদ্ধান্তটি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী নেয়া হয়েছে। এলাকাটিতে রয়েল মালয়েশিয়ার পুলিশ (পিডিআরএম), মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী (এটিএম), মালয়েশিয়ার সিভিল ডিফেন্স ফোর্স (এপিএম), পেটালিং জায়া সিটি কাউন্সিল (এমবিপিজে), সমাজকল্যাণ বিভাগ (জে কে এম) এবং মালয়েশিয়ার স্বেচ্ছাসেবক বিভাগ (রেলা)  পুরো অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণে অবস্থান নিয়েছে।

অবৈধ হয়ে যাওয়া নির্দিষ্ট কিছু ট্যুরিস্ট গ্রেফতার করবেনা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন

মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এম'সি'ও) তুলে নেয়ার পর ১লা জানুয়ারী ২০২০ থেকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে ভিজিট পাস সোশ্যাল (PLS)  এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে স্পেশাল পাস (SP) ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন। বর্তমানে দেশে চলা অভিযানগুলোতে তাদের গ্রেফতার করা হবেনা বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতু খায়রুল জাইমি বিন দাউদ।

ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক গতকাল মঙ্গলবার (৫ই মে)  মালয়েশিয়ার সাংবাদিকদের দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বৈধভাবে ভ্রমণের জন্য আসা ট্যুরিস্টদের পাসপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় ভ্রমন নথিপত্র নিয়ে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে প্রদর্শনের মাধ্যমে তারা প্রবেশ পথ পার হয়ে যেতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে সেটা বৈধ ভ্রমন হিসেবে রেকর্ড করা হবে।

 ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া সত্বেও এক্ষেত্রে কালো তালিকাভুক্ত কিংবা কোন রকম জরিমানা দেয়া লাগবেনা।
তবে, এই সুবিধার আওতায় যেসব অভিবাসী কর্মীগণ পাস লাওয়াতান কিরজা সেমান্তারা (PLKS) বা সাধারণ শ্রমিক ভিসায় রয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবেনা৷

অর্থাৎ জানুয়ারী ১ তারিখ থেকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ শ্রমিক ভিসা যারা অবৈধ হয়েছেন তাদেরকে তারা এই সুবিধার মাধ্যমে দেশে যেতে পারবেন না। তাদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ইমিগ্রেশন নিয়ম কানুন অনুযায়ী নির্দিষ্ট জরিমানা প্রদান এবং স্পেশাল পাস নিয়ে ফেরত যেতে হবে৷

মালয়েশিয়াতে সাধারণ শ্রমিকদের জন্য ২৫% লেভি কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার

আজ (৬ই এপ্রিল ২০২০) প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন স্থানীয় সময় বিকেল ৪ টায় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষনে বিভিন্ন ঘোষণার পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন কোম্পানি কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা নবায়নের ক্ষেত্রে কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত লেভি চার্জ ২৫ % কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

একদিকে মালিকপক্ষকে লকডাউন চলাকালীন সময়ে শ্রমিকদের বেতন দেয়ার জন্য হুশিয়ারি দিয়েছেন অন্য দিকে মালিক পক্ষের জন্য ২৫% লেভি চার্জ মওকুফ করেছেন যা চলতি মাসের ১ এপ্রিল থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে যেসব শ্রমিকদের ভিসা নবায়ন বা রিনিউ করা হবে তাদের ক্ষেত্রে মুল লেভি চার্জের ২৫ % বা চার ভাগের ১ ভাগ কমিয়ে আনা হয়েছে৷ যা মালিকপক্ষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুবিধা। পাশাপাশি এই সুবিধা বিভিন্ন এজেন্ট কোম্পানিতে ভিসাধারী বাংলাদেশী কর্মীরাও এই সুবিধা ভোগ করতে পারবে। কারণ এজেন্ট কোম্পানি গুলোতে কর্মীগন নিজের টাকা খরচ করেই ভিসা করে নিতে হয়।

 মালয়েশিয়াতে করোনা সংক্রমণ বিস্তার লাভের পর দেশটির অর্থনীতিতে প্রবল প্রভাব পড়েছে। সারাবিশ্বের ব্যবসা বানিজ্যের অবস্থা থমকে যাওয়ার সাথে সাথে মালয়েশিয়ার বড় বড় রপ্তানি নির্ভর ব্যবসাগুলোও হুমকির মুখে পড়েছে।  টানা একমাস লকডাউন থাকার ফলে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তাই মালয়েশিয়ার বর্তমান মহিউদ্দিন ইয়াসিনের সরকার একেরর পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছে পুরো দেশবাসীকে।  মালয়েশিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সুবিধা ঘোষণা করেছেন যা ইতিপূর্বে কোন সরকার করেনি। দেশের সকল শ্রেণির ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রনোদনা ঘোষণা করেছেন। প্রতিটি ক্ষুদ্র থেকে বড় ব্যবসায়ী সবার জন্যই আর্থিকভাবে আলাদা আলাদা প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন যা সত্যিই প্রশংসানীয়।

কুয়েত মালদ্বীপসহ ৬টি বড় শ্রমবাজারের দেশ থেকে অবৈধদের ফেরত দেয়ার ঘোষণা, নাহয় বাংলাদেশ ব্ল্যাকলিস্ট করার হুশিয়ারি

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য শ্রমবাজারগুলোর কয়েকটি দেশ থেকে কর্মী ফিরিয়ে নিতে বিভিন্নভাবে কূটনৈতিক চাপ দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশের উপর। দেশগুলোতে অবস্থানরত অবৈধ বা বৈধ কাগজপত্র বিহীন যেসব বাংলাদেশীরা বিভিন্ন দেশের কারাগারে বন্দী আছে তাদের ফিরিয়ে দেশে আনার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছে বড় শ্রমবাজারের কয়েকটি রাষ্ট্র। আর এসব শ্রমিকদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠালে এক দিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদে পড়বে শ্রমিকরা অন্য দিকে বাংলাদেশও বড় ধরনের বিপদে পড়তে যাচ্ছে।


ইতিমধ্যেই কুয়েতে থাকা বৈধ কাগজপত্র বিহীন এবং কারাভোগকারী কর্মীদের ফেরত না নিলে বাংলাদেশের শ্রমবাজারকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে বলে কড়া হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে। তবে আরেকটি দুঃসংবাদ হচ্ছে, কুয়েত থাকা বৈধ অভিবাসী কর্মীদের পরবর্তী ভিসা রিনিউ করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে অনেক বাংলাদেশীর ভিসা বাতিল হয়েও যেতে পারে বলে আশংকা করা হয়েছে।

আজ (রবিবার ৫ই এপ্রিল) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এই বিষয় গুলো
 নিয়ে  জরুরিভাবে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিংয়ের পর মাননীয় মন্ত্রি ইমরান আহমদ বলেন, কিছু দেশ থেকে আমাদের দেশের কর্মীদের ফিরিয়ে আনতে হাইকমিশনগুলোকে জানানোর পর মন্ত্রণালয়ের নিকট সেই প্রতিবেদন গুলো পাঠানো হয়েছে।

 জনাব, ইমরান আহমদ বলেন, কুয়েত থেকে কারাগারে দন্ডপ্রাপ্ত ও অবস্থানকারী অবৈধদের দেশে ফেরত আনার বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা করা হয়েছে। এই কর্মীদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে কুয়েত সরকার তাদের নিজস্ব খরচে পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

মিটিংয়ে সাংবাদিককের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, প্রায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদের অভিবাসী কর্মীদের ফিরিয়ে আনার কঠোর আহ্বান জানানো হয়েছে। মন্ত্রী আরও এই বিষয়ে সরকারের এই ২ টি মন্ত্রণালয় খুব চাপের মধ্যে রয়েছে।

উক্ত বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, কুয়েত থেকে দন্ডপ্রাপ্ত ১৯০ জন অভিবাসী কর্মীকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছে।
তবে তারা সেখানে কেন দন্ডিত হয়েছেন সেই ব্যাপারে তদন্ত ক্ক্রে দেখার জন্য কুয়েত হাইকমিশনার এর কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন এসব কর্মীরা কি সেখানে কোন জঙ্গী সংগঠনের সাথে জড়িত ছিল কিনা তা চূড়ান্ত যাচাই করে দেশে ফেরত আনা হবে।

কুয়েতের সরকার আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। এই সময়ের মধ্যে কুয়েতে থাকা সমস্ত অবৈধ বা কাগজপত্র বিহীন কর্মীদের তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত যেতে বলেছে। সেখানে প্রায় কয়েক হাজার বাংলাদেশী অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। এসব কর্মী বাংলাদেশ গ্রহন না করতে চাইলে বাংলাদেশের সাথে গুরুত্বপূর্ণ এই শ্রমবাজারটি কুয়েত সরকার বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে।  শুধু তাই নয়, কুয়েত বৈধভাবে অবস্থানরত কর্মীদেরও ভিসা নবায়ন না করার হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

মালদ্বীপ সরকার ইতিমধ্যেই দেশটিতে থাকা কাগজপত্র বিহীন কর্মীদের তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছে।
যেখানে প্রায় ৩৮ হাজার অবৈধ অভিবাসী দেশের ফেরত আসার জন্য সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনে নিবন্ধন করেছে।

মালদ্বীপের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন জানান, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে তিনি আমাকে ফোন করে বলেছিলেন যে, অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দায়িত্ব নিতে পারবেন না তিনি তবে বৈধভাবে থাকা সকল কর্মীর পর্যাপ্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে রাজি থাকলেও অবৈধদের দ্রুত দেশে পাঠানোর কথা বলেছেন তিনি।

বাহারাইন সরকারও ঠিক একই কার্যক্রম চালু করছে। দেশটির কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত ৯০১ জন অভিবাসী কর্মীর সাজা মাফ করা হয় যার মধ্যে ২১৬ জন বাংলাদেশীর তালিকা পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। তবে বাহরাইন থেকে প্রায় ৩০ হাজারের মত অভিবাসী কর্মী দেশে ফেরত আসতে হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরব এবং ওমান থেকে এখানো কোন অফিসিয়াল বিবৃতি পাওয়া যায়নি সুতরাং এই দেশগুলো থেকে ফেরত পাঠানো হবে কিনা সেই বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা না হলেও কূটনৈতিক তৎপরতা অনুযায়ী অনেকটা অশনি সংকেত পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সৌদিতে অবস্থানরত সকল প্রবাসীদের বিনামূল্যে খাদ্য ও চিকিৎসা দেয়া ঘোষণা

সৌদি আরবে কর্মরত সকল বিদেশিদের খাদ্য সহায়তা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। এক্ষেত্রে দেশটিতে থাকা অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রদান করা হবে।

এদিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশটির প্রধান দুটি নগরী মক্কা ও মদিনাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফিউ জারী করা হয়েছে।
দেশটিতে হুহু করে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সংখ্যা। গত ১ দিনে মোট ১৯১ জন আক্রান্তের খবর প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।  এখনো পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২'৩৭০ জনে পৌঁছেছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪ জন বাংলাদেশীসহ এই পর্যন্ত ২৯ জন মারা গেছে।